Pages

Time

|

Saturday, November 27, 2021

৫ সেকেন্ডে password dictionary কিভাবে তৈরি করতে হয় দেখে আসুন।

  আসসালামু আলাইকুম । আশা করি সকলে ভালো আছেন । আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো আছি ।

আজ আমি আপনাদের দেখাবো ২ সেকেন্ডে  ১০০০ পাসওয়ার্ড create করতে হয়। মোট কথা হচ্ছে password dictionary।  আমরা Google অনেক password dictionary থাকি কিন্তু এমনও হয় যে আমাদের মনের মতো হয় না।   অনেক বড় password dictionary এখান থেকে আমাদের প্রয়োজন গুলো খুজে বের করতে অনেক সময় লাগবে । আর মেইন কথা হচ্ছে আমরা যখন বড় password dictionary দিয়ে Brute-force attack করি তখন অনেক সময় লাগে।  অনেক সময় কাজ ও ঠিক মতো করা যায় না। এই জন্য আজ আমি আপনাদের দেখাবো আপনি নিজে কিভাবে password dictionary তৈরি করবেন খুব সহজে।

প্রথমে আমরা termux এ চলে যাবো।

Termux ওপেন হলে আমরা লিখবো

pkg update -y

দিয়ে ইন্টার ক্লিক করবো।

 

এখন আমরা লিখবো

pkg upgrade -y

লিখে ইন্টার ক্লিক করবো।

এখন আমরা password dictionary তৈরি tools টা ইনস্টল করবো তারপর লিখবো

pkg install crunch

এখন আমরা চেক করবো টুলস টা সঠিক ভাবে ইনস্টল হয়েছে কিনা তার জন্য রান করবো

crunch

লিখে ইন্টার ক্লিক করবো।

যদি আমার টুলসটা সঠিক ভাবে ইনস্টল হ তাহলে নিচের মতো দেখতে পারবো।

এখন আমরা লিখবো আমাদের password কত সংখ্যার হবে সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ কত ডিজিট নিয়ে password dictionary তৈরি করতে চাই ।

প্রথমে crunch লিখবো তারপর সর্বনিম্ন সংখ্যাটা দিবো space দিয়ে সর্বোচ্চ কত সংখ্যার পর্যন্ত নিবেন সেই সংখ্যাটা দিবেন।  তারপর। আপনি যদি নাম্বার দিয়ে করতে চান তাহলে ০-৯ পর্যন্ত লিখবেন আর হ্যাঁ আপনি যদি ০-৭ দেয় তাহলে সাতশত পর্যন্ত যাবে। আপনি চাইলে symbol or character ও লিখতে পারবেন।  তারপর -o দিবেন। o দ্বারা আউটপুট বুঝায় তারপর আপনার sdacard or password dictionary কি নামে সেভ করতে চাচ্ছেন সেই নামটা দিবেন।  তারপর ইন্টার দিবেন। আর হ্যাঁ termux কে আগে storage পারমিশন দিয়ে নিবেন।

এখন দেখতে পাচ্ছেন আমার password টা তৈরি হয়ে গেছে।

এখন দেখতে পাচ্ছেন আমার file  manager এ password চলে আচ্ছে।


Sunday, November 14, 2021

ওয়াই-ফাই রাউটার সিগন্যাল ভালো পাবেন ঘরের কোথায় রাখলে

  ঘরের কোথায় রাউটার রাখলে ওয়াই-ফাই সিগন্যাল ভালো পাবেন

এক সকালে ‘ইন্টারনেটের লোক’ এসে সংযোগ দিয়ে গেলেন।

ইন্টারনেটের নীল তার ওয়াই-ফাই রাউটারে যুক্ত করে বললেন, কোথায় রাখব? ‘রাখেন এক জায়গায়।’ পরের তিন বছর রান্নাঘরের তাকে তেল-লবণ-হলুদের সঙ্গে কাটিয়ে দিল সেই রাউটার।

এরপর গতি কম মনে হলে ইন্টারনেট সেবাদাতার সঙ্গে ফোনে হম্বিতম্বি করেছি, কম্পিউটার হাজারবার রিস্টার্ট দিয়েছি,

দেয়ালে মাথা পর্যন্ত ঠুকেছি, তবে রাউটার সরিয়ে জুতসই কোথাও রাখার কথা মাথায় আসেনি।

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের বেলায় এখন সিংহভাগ বাসা বা অফিসে ওয়াই-ফাই রাউটার লাগানো হয়।

তবে ওই ইন্টারনেটের লোক এসে যেখানে লাগিয়ে দিয়ে যান, রাউটার সেখানেই থাকে।

ওয়াই-ফাই রাউটারে ইন্টারনেট গতি নির্ভর করে অনেক কিছুর ওপরে।

আমরা বলছি না রাউটারের অবস্থান ইন্টারনেটের গতির একমাত্র নির্ণায়ক। তবে গুরুত্বপূর্ণ তো বটেই। বিশেষ করে বড় বাড়ির ক্ষেত্রে।

আজ চলুন সেই অবস্থান নিয়ে আমরা আলোচনা করি।

আগে রাউটার ঠিক করুন

রাজধানীর বেশির ভাগ অ্যাপার্টমেন্টের আকার ছোট, হাজার দেড়েক বর্গফুটের বেশ কম।

এই অ্যাপার্টমেন্টগুলোতে একটি ওয়্যারলেস অ্যাকসেস পয়েন্টই যথেষ্ট।

মানে শুধু রাউটার হলেই হবে। তবে সেটা যদি অনেক পুরোনো মডেলের হয়, তবে হালনাগাদ করে নেওয়াই বরং ভালো।

সে ক্ষেত্রে ৮০২.১১এসি এবং ডুয়েল ব্যান্ড সমর্থিত কি না দেখে নিতে পারেন।

এতে কভারেজ নিয়ে তুলনামূলক কম ঝামেলায় পড়তে হবে।

তবে বাড়ি বড় হলে কিংবা এক রাউটারে একাধিক তলায় ইন্টারনেট সংযোগ দিতে চাইলে ‘মেশ নেটওয়ার্ক’ তৈরি করতে হবে।

অর্থাৎ রাউটার এক জায়গায় রেখে ওয়াইফাই এক্সটেন্ডার দিয়ে বাড়ির সব জায়গায় সংযোগ ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

বাড়ির কোনো কোনায় যদি সিগন্যাল না পৌঁছে, তবে সেখানে নতুন একটি এক্সটেন্ডার লাগিয়ে নিলেই হলো।

তবু মূল রাউটার কোথায় রাখবেন, সেটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

কোথায় রাখবেন রাউটার

বাড়িতে নতুন ইন্টারনেট সংযোগ নেওয়ার সময় রাউটার সচরাচর যে পথে ইন্টারনেটের তার বাড়িতে ঢুকেছে, তার আশপাশে কোথাও রাখা হয়। এখানে বলে রাখা ভালো,

যিনি সংযোগ দিয়ে যান, সংযোগ দেওয়াই তাঁর কাজ। কোথায় রাউটার রাখলে আপনার কাজের সুবিধা হবে, তা আপনাকেই ভেবে ঠিক করতে হবে।

মাঝামাঝি রাখা ভালো

রাউটার সব দিকেই সিগন্যাল পাঠিয়ে থাকে। আপনি যদি দক্ষিণ দিকের ঘরটার এক কোনায় রাখেন,

তবে ওয়্যারলেস কভারেজের প্রায় অর্ধেকটা বাড়ির বাইরেই থেকে গেল।

অবশ্য পথচারীদের সেবায় ইন্টারনেট বিতরণ কর্মসূচি হাতে নিলে ভিন্ন কথা।

আর যদি পুরো বাড়িতে সমান হারে কভারেজ চান, তাহলে মাঝামাঝি কোথাও রাখলেই বরং ভালো।

তবে নির্দিষ্ট কোনো ঘরে প্রয়োজন হলে রাখুন। আর সে কাজটি ইন্টারনেটের সংযোগ নেওয়ার সময়েই করা ভালো।

কারণ, পর্যাপ্ত লম্বা তার থাকতে হবে, যেখানে রাউটার রাখবেন সেটির আশপাশে পাওয়ার আউটলেটও থাকতে হবে।

উঁচু কোথাও রাখুন

রাউটার থেকে নিচের দিকেও সিগন্যাল আসে। তাই উঁচু কোথাও সেটি রাখা ভালো।

তাই বলে ছাদের সঙ্গে স্কচটেপ দিয়ে আটকে রাখতে হবে না।

হয়তো বইয়ের তাকের ওপর রাখলেন কিংবা দেয়ালে কোথাও আটকে দিতে পারেন।

মাইক্রোওয়েভ থেকে দূরে রাখুন

নতুন রাউটারগুলো আধুনিক প্রযুক্তির।

তবু যত বেশি দেয়াল কিংবা বড় ও পুরু বাধা পেরিয়ে যাবে, সিগন্যাল তত দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

তা ছাড়া, কাছাকাছি অন্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি থাকলে তাতেও সিগন্যাল বাধা পেতে পারে।

বিশেষ করে একই তরঙ্গের হওয়ায় মাইক্রোওয়েভ ওভেনের কাছাকাছি রাখবেন না।

অ্যানটেনাও গুরুত্বপূর্ণ

অ্যানটেনা ছাড়াও যেমন রাউটার আছে, আবার কোনোটিতে আটটি পর্যন্ত অ্যানটেনাও পাওয়া যায়।

এই অ্যানটেনাগুলো সিগন্যাল নির্দিষ্ট দিকে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।

আর তাই একাধিক অ্যানটেনা থাকলে সব কটি এক দিকে নির্দেশ করে রাখার মানে হয় না।

বিপরীতমুখী করে রাখুন, ওপর-নিচ করে দিন, মোটকথা সব দিকে সিগন্যাল ছড়িয়ে দিতে যা করতে হয়, তা-ই করুন।

সব শেষে স্মার্টফোন নিয়ে এ–ঘর ও–ঘর করে বোঝার চেষ্টা করুন কোথায় নেটওয়ার্ক সবল আর কোথায় দুর্বল।

এরপর সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।

Thursday, October 21, 2021

ডিজিটাল এই যুগে কোন কিছুই নিরাপদ নয়।

  7 great software in the world of hacking.


ডিজিটাল এই যুগে কোন কিছুই নিরাপদ নয়। প্রতিদিন হ্যাকারদের অ্যাটাক কিংবা তাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এমন খবর ভাইরাল হয়ে থাকে।

আমাদের কম বেশী অনেক লেনদেন যেমন অনলাইনের কারনে সোজা হয়ে গিয়েছে। টিক তেমনি Black Hat হ্যাকার এর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলছে। আপনার থেকে লেনদেন করার একাউন্ট কেড়ে নেওয়ার জন্য। তবে Hacker রা আলাদা কোন কৌশল কাজে লাগাচ্ছেনা। বরং আগে থেকে চলে আসছে এমন কৌশল ব্যবহার করে ভিক্টিম কে ফাদে ফেলছে।

একাউন্ট হ্যাক করার জন্য অনেক গুলো পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আর আপনি যদি অনলাইন ব্যাংকিং এর সাথে জড়িত থাকেন তবে আপনার অবশ্যই জানা দরকার।

1. Methods Hackers Use To Hack Your Bank Accounts

আমার এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের সাথে সব থেকে বেশী ব্যবহার করা হ্যাকিং কৌশল গুলো নিয়ে আলোচনা করবো। যার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন একাউন্ট গুলো তারা কিভাবে হ্যাক করে থাকে।

2. Banking Trojans (Smartphones)

হ্যাকাররা কিছু Malicious Apps ব্যবহার করে থাকে আপনার একাউন্টের তথ্য চুরি করার জন্য। আর তারা এই কাজটি করার জন্য একটি Clone কিংবা Duplicate App তৈরী করে। যা দেখতে হুবহু আপনার ব্যাংকিং App এর মত হবে। আর পরবর্তীতে তারা সেই App টি বিভিন Third Part App Store এ আপলোড করে দেয়। আর আপনি যদি ভুলবশত সেই App ডাউনলোড করে বসেন তাহলেই সর্বনাশ। যখন আপনি সেই App দিয়ে ব্যাংকিং সিস্টেম এ লগিন করবেন আপনার ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড চলে যাবে হ্যাকারদের হাতে।

3. App Hijacking

কিছু হ্যাকার বানিয়ে থাকে Trojan যুক্ত Banking App. যখন আপনি এই App মোবাইলে ইন্সটল করবেন খেলা শুরু হয়ে যাবে। App টি Silent Mode এ আপনার মোবাইলের Background এ চলতে থাকবে। আর সাথে Scan করতে থাকবে মোবাইলে কোন প্রকার ব্যাংকিং এর তথ্য কিংবা App রয়েছে কিনা। আর যখন এই Trojan কোন প্রকার ব্যাংকিং App খুঁজে পাবে সে তার কার্যক্রম শুরু করে দিবে।

হুবহু আপনার ব্যাংকিং App এর লগিন পেজ এর মত Fake Login Page দেখাবে আর লগিন করতে বলবে। আর আপনি যদি লগিন করে বসেন তবে খেলা শেষ আপনি জানতেও পারবেন না কিভাবে কি হয়েছে আর এটাকেই App Hijacking বলা হয়।

4. Smishing

Smishing হলো Phishing এর আওতাধীন একটি এসএমএস সংস্করণ। আর এটা এমন একটি Scam যা Email Template SMS কিংবা Mail এর মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। আর এসএমএস করা নাম্বার কিংবা মেইল আপনার জানাশোনা কারো হতে পারে আবার নাও হতে পারে।

Smishing কৌশলের মাধ্যমে আপনাকে জানানো হবে যে আপনি কোন প্রকার লটারী পেয়েছেন কিংবা কোন কোম্পানী অথবা ব্যক্তি আপনাকে উপহার দিতে আগ্রহী জাস্ট উদাহরন হিসাবে ধরে নিন। আর আপনার কাছে আসা লিংকটি যখন কোন ব্রাউজার থেকে ওপেন করবেন আপনার কাছে ক্রেডিট কার্ড ইনফরমেশন চাইবে আর আপনিও হয়তো খুশীর ঠেলায় দিয়ে দিবেন। ব্যস আপনার দৌড় এখানেই সমাপ্ত আপনার একাউন্ট খালি করে মজা নিবে হ্যাকার।

5. Keyloggers

Keyloggers অনেক জনপ্রিয় হ্যাকিং কৌশল। Keylogger দুই ধরনের হতে পারে Software অথবা Hardware. Software হলে আপনাকে তা ইন্সটল করতে হবে আর যখনি ইন্সটল করা হয়ে যাবে আপনার Key Board এ Type করা সকল তথ্য চলে যাবে হ্যাকার ভাই/সিস্টারের কাছে আংকেল হলেও দোষের কিছু দেখছিনা।

আর Hardware Keyloggers এর ক্ষেত্রে আপনাকে তা Device এর সাথে সংযুক্ত করতে হবে। যা Device এর Keyboard এর প্রতিটি লাইনের সাথে সংযুক্ত হয়ে যাবে এবং Hardware এর সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবে। আর সংযুক্ত হয়ে গেলে তা Software Keylogger এর ভূমিকা পালন করবে।

6. SIM Swapping

Sim Swapping অনেক জটিল কৌশল যা আপনার ব্যাংক একাউন্ট চুরির কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আর এর জন্য হ্যাকার সাহেব আপনার টেলিকম কোম্পানীর সাথে যোগাযোগ করে এবং দাবী করে যে আপনার ব্যবহার করা নাম্বার টি তার কিংবা হারিয়ে ফেলেছে কিংবা তার ক্লোন করতে চায়। আর তারা টেলিকম কোম্পানীকে Convince করা একটি নতুন সিম কার্ড হাতিয়ে নেয়।

আর তারা যদি সফল হয়ে যায় তবে আপনার মোবাইলে আসা Incoming, Outgoing Call, SMS সম্পর্কে জানতে পারবে কারন দুটো সিম একই কাজ করবে। আর এটা করতে পারলে বুঝতেই পারছেন কি হতে পারে আপনার সব কিছু সে জানতে পারবে এমনকি আপনার এই নাম্বার ব্যবহার করে সে আপনার অনলাইন সকল কিছু নিজের দখলে নিয়ে নিতে পারবে।

7. Man-in-the-middle attack

The man-in-the-middle attack একটি বিপদজনক হ্যাকিং কৌশল যা হ্যাকার সাহেব ব্যবহার করে থাকে। যখন দুই পার্টি Conversation করায় ব্যস্ত তখন হ্যাকার নিজেকে সেই Converstion এ যুক্ত করে থাকে। এখানে দুই পার্টি বলতে বোঝাতে চাচ্ছি আপনি এবং ব্যাংকের কর্মকর্তা বা অন্য কেউ।

আর এই প্রফেশনাল মানের কৌশলে monitoring করে insecure server থেকে ডাটা সংগ্রহ করা হয়। আর এই কৌশলের মাধ্যমে হ্যাকার হাতিয়ে নেয় banking credentials, credit card details, etc.

আশা করি আপনারা এবার আপনাদের একাউন্টের সর্বোচ্চ দিতে প্রস্তুত। য